Sunday, September 27, 2020

আমি তোমায় ভালোবাসি মাধবীলতা

 আমি তোমায় ভালোবাসি মাধবীলতা,

অনিমেষের মতো ঠিক না, সে বইয়ের নায়ক।

যারা বাংলা ভাষা নিয়ে অহংকার করে,

সেভাবেও তোমায় নিয়ে আমি কিছু ভাবি না।

যারা মার্ক্স, লেনিনের বাইরে বোবা হয়ে যায়

আর ট্যাক্সি চড়ে ট্যাক্সের নিন্দা করে,

তাদের দারিদ্র্যে আমায় খুঁজে পাবে না।

যেখানে অজ্ঞানতা মূর্খের চারিত্রিক বৈশিষ্ট

সেই জ্ঞানের দীপ আমায় আলোকিত করে না;

আমি তোমায় ভালোবাসি, মাধবীলতা ।

যেখানে খেলায় জিতে মনে মনে দম্ভ আসে না,

সেই সুবিচারের কাঠগড়ায় আমায় বারবার দাঁড় করিয়ো

আমি তোমার কাছে প্রতিবার হেরে যাবো, নিঃশব্দে।

আমি তোমায় ভালোবাসি, মাধবীলতা

এই কালপুরুষের কালবেলার উত্তোরাধিকার তোমার ।।

Wednesday, September 16, 2020

পক্ষ

 আমি জানি, বাড়িতে তোমার মন বসে না ইদানিং।

ব্যস্ত হতে চাইছো, ভাবছো সবই যেন চলমান, তুমি ছাড়া।

বন্ধুরা দেশান্তর করছে, ঋতুরা বদলে চলেছে,

আর তুমি, সেই আট দেওয়াল, তিন জানালায় বন্দী।

ভালো খাবারেও যেন অরুচি জন্মাচ্ছে তোমার,

সময়ে ঘুম, প্রয়োজনে কথা বলার সাথী, সব আছে

কিন্তু তুমি তো নিজেকে প্রমান করতে চাও; সে নেই।

আমি বলছি না তুমি ভুল ভাবছো, একাকিত্ব আমি চিনি

আর চেনে আমারই মতো সেই সব ছেলে-মেয়েরা

যারা আর সময়ে রান্না করতে চায় না ।


এই দেবীপক্ষ আমাদের সবার। ধরে নেওয়া যাক, আমরা কেউ একা নই।

Monday, September 14, 2020

Smriti Irani

আমার সব স্মৃতিকেই হয়তো ইরানী বলা হবে কদিন পর; এক এক করে হেডলাইন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। বামুনের ছেলে হলেও প্রেসিডেন্সির তথা জে-এন-ইউ-এর মুখুজ্জে নই, তাই অহেতুক pun করা আমার অভ্যেস নয়। সত্যি বলতে, আমার স্মৃতি-স্মরণে কিছু ইরানী মিশ্রীর-ও এক-দু দানা পাওয়া যেতে পারে - সেসব আমার নিন্দুকদের হাতে নাই বা তুলে দিলাম।
আপনার যদি পড়াশোনার হ্যাবিট থেকে থাকে, তাহলে এতক্ষনে বুঝে গেছেন যে title-টা লেখার জন্যই এত কিছু লিখতে চলেছি। কিন্তু ভেবে দেখলে, ব্যাপারটা বেশ মজার! আপনারা আমার whatsapp status-এ ইংলিশ-এ লেখা দুটো শব্দ দেখে কি ভাববেন আমি ভালোই জানি; আমার মাথায় শুধু হলুদ আসছে, গেরুয়া না। অদ্ভুত।  আপনি কোন রং দেখতে পাচ্ছেন ?
 এবার আমার স্মৃতি-তে ফেরা যাক। আচ্ছা, যদি আমার কোন বান্ধবীর নাম স্মৃতি হত, তাহলে কি আমি আদৌ এই লেখাটার জন্য সাহস সঞ্চয় করতে পারতাম?
কি ভাবছেন? আপনি তো জানেন না, আদৌ কেউ আছে কিনা; ধরে নিন কিছু একটা। (এমনিও আমায় যথেষ্ট ভালো না বাসলে বা অপছন্দ না করলে, আপনি পড়ছেন না এখন আর । আপনার ব্যস্ততা না বুঝলে কি আর আপনার সময়ে ভাগ চাই !)
স্মৃতির সাথে আমার কবে পরিচয় বলতে পারবো না। বলতে পারবো না তার পরীক্ষা দিতে ভালো লাগতো কিনা, একা থাকতে ভালো লাগে কিনা। হয়তো লাগে, না হলে আস্তে আস্তে এভাবে আমার থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিল কেন ?
অবশ্য তার সাথে আর্গুমেন্ট-এ আমি পারবো না; সে বলবে আমিই সামনে তাকিয়েছি তাই এই বিচ্ছেদ। হতে পারে, আর যাই হোক, স্মৃতিকে কিছুতেই সামনে নিয়ে যাওয়া যায় না। আপনি পারবেন? স্মৃতি পেছনেই থাকতে চায়, হয়তো, সেখানেই তার শান্তি; সবাই আনন্দ নিয়ে obsessed নয়।
স্মৃতির চোখ, নাক, ঠোঁটের বর্ণনা দেওয়া খুব একটা সহজ নয়, ভেবে নিন ওই একটা গন্ধের মতো : উগ্র না, মিষ্টিও না, ঠিক খারাপও না; বুঝতে পারছেন? মানে, ওই sweet স্পট-টা : যে গন্ধে মুগ্ধতা নেই, আছে melancholy-র আনন্দের স্বাদ। যদি পেয়ে থাকেন, আপনিও না হয় একটু স্মৃতিচারণ করে নিন।
আরে করে নিন, করে নিন। আপনার স্মৃতি lactogen-এ দুধ রুটি, নাকি রুপোর বাটিতে cerelac-এর আদর, আপনিই বুঝবেন। ও, এগুলো তো আমার স্মৃতি। আপনার মনে আছে cerelac-এর স্বাদ বা lactogen-এর টেবিল-টপ experiment ? আমার বুঝি তখনও ১২ বছর বয়স হয়নি। ২৪-এ যদিও বিছানায় শুয়ে cerelac খেয়েছিলাম এক মাস; তারপর বলা যায় mutual ছাড়াছাড়ি।
স্মৃতি এখন মহিলা সমিতির দায়িত্বে আছে। নিজের কাজ যে সে ভালোই করছে তাতে এখন আমার সন্দেহ নেই।  ন্যাড়া হেডলাইনে বাকি থাকা দুটো চুল চকচকানো স্মৃতির উদ্দেশ্য নয়; গভীরতা তার প্রেম; থাক! হারানো তো আসলে হারানো নয়।
আপনি হায়দ্রাবাদের ইরানী চা খেয়েছেন? শুনুন, কলকাতার নির্মল দার দোকানে যেটা পান, তাতেই মনে করবেন না যে চা-বিশারদ আপনি। সারাদিন ফোটালেই ভালো চা হয়না। আর না হলেই আদা দিয়ে দেবেন, সেটাও দয়া করে ভাববেন না। এখানে চা-এর কথা হচ্ছে, ছোলার ডালের না।
আলাদা করে জলে চা ফুটিয়ে নিতে হয়।  তারপর শুদ্ধ দুধ জ্বাল দেওয়া, আলতো আঁচে; এর সাথে মোম দিয়ে নিজের ধৈর্য গলাতে হবে, আর দুধে মিশিয়ে দিতে হবে। ঘন করুন, আরও ঘন। ওসব ডেমি-ক্রিম femi-ক্রিম দিয়ে এই চা তৈরি হয়না। মোম শেষ হলে মাওয়া যোগ করুন দুধে; ঘন হতে দিন।
এবার সমান পরিমানে চা-এ এই ঘনত্ব মেশানো সূক্ষ আদরের কাজ।
চুমুক দিন। স্মৃতি ইরানী।

এখনও যদি আগে যা মনে এসেছিল সেই চিত্রই ফেরৎ আসে, তাহলে বলে রাখি, lactogen, cerelac, নির্মল দার পাড়ার দোকান হোক, বা হায়দ্রাবাদি দম চা; দুধ না খেলে, আপনার হবে না।

Wednesday, September 9, 2020

স্থান-কাল-চরিত্র

তোমার খেলার কিছুটা অংশে
স্থান পেয়েছি আমি, নিঃশব্দে।
ভাবিনি সে খেলার ব্যাপ্তির কথা
শুরুর দিনে, ঠান্ডা খাবারের মেলা
সাজানো ছিল, তরল শিক্ষা
আর কঠিন কিছু হাতের দোলা।
স্থানের ওপর স্থানের হিসেব
কাল মিলে যায় কাল-আসনে
স্থানের বুকে কালের প্রতিশ্রুতি,
কালের বুকে নীড় বাঁধি কেমনে ?

বস্তুতঃ : Are long-ranged spatial correlations really offsprings of persistence? Or quite the opposite? Does the world boil down to simply looking at a coin, flipping between faces, at Poisson rates?

এভাবে নিজের কবিতার মুন্ডচ্ছেদন করতে কবির হাত কাঁপে না।  নিজের বিষয়ে ভক্ত প্রহ্লাদ হওয়ার মত আহ্লাদ কবিদের থাকে না; থাকে অনুভূতির কাঠগড়া, আর কলম হাতে জল্লাদ হয়ে ওঠার বাসনা।

Monday, September 7, 2020

us and Them

A dying metropolis
Is really a necropolis peeling off its own skin;
Like we all do, individually,
At random, or what we would say, free will,
Until there builds a consensus,
A rather increasing density of the same.
Then, as a slow burn, arrives
A transition, re-entrant and vulgar,
Devoid of isms and ities,
The cycle simply remains eternal.

And if you came looking for hope
Look away, for there is none.
Look even further into the future
Let them know of our failure.



p.s. Wish the world was as Pink as the title.

Sunday, September 6, 2020

পড়ন্ত

বিকেল তো নেমে এসেছিল;
বাড়ির পেছনে, শহরের পশ্চিমে,
ভুট্টা মাঠের পাশে, দিনের শেষে;
যখন আসার, তখনই এসেছিল।

খেলার সাথীদের চোখে প্রশ্নও জেগেছিল,
ক্ষনিকের; তারপর ঘাসের দোলায় সব মিলিয়ে যায়।
আসলে বিকেলের মন খারাপ কেন হয় জানো?
সন্ধ্যে রোজ আসে তার কাছে, গোধূলি আসে না।
স্বার্থপর বিকেল ছবি আঁকতে চায় শুধু,
আর সন্ধ্যের আকুল মুখ আঁধারে ঢেকে যায়।

থাক, বিকেলের প্রেমে আমাদের কি?


Saturday, September 5, 2020

Surfers

 Imagine. Ripples in time,

And us, surfers; sound and light,

Gliding into what we foresee

Only to be driven back, without mercy.

Imagine. Roads within abyss

And hunger relaxing into promise.

Imagine. The symphony backwards.

Imagine. The origin. The afterwards.

If the worlds seem to collide,

Remember the waves, and the laws behind.

And if for continuity, doubts arrive,

Imagine. And bygones will come back to life.


Imagine. Then. Now. Time.

Sunday, August 23, 2020

খেলা

অন্ধকার পাহাড়ী শহরে উজ্জ্বলতার নিচে কিছু রাত আমিও কাটিয়েছি
শীতের শুকনো কাঠ পয়সার বিনিময়ে কিনেছি, পুড়িয়েছি।
নিঃশব্দে থেকেছি, ওপরে চেয়ে;
হাজার হাজার ফুট নিচের কোলাহল আমায় স্পর্শ করতে চেয়েছিল,
চেনাতে চেয়েছিল তাদেরও অস্তিত্বের সাক্ষর, প্রতি রাতের মতো;
অসমাপ্ত উপন্যাস নিয়ে হাহাকার করা মসৃণ হৃদয়ের মতো।
সামনে ছিল দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা প্রাচীন ইতিহাস
আর শব্দ ছিল পেছনের শুকনো কাটগুলোর মৃত্যুর, অমরত্বের।

পৃথিবী, বিশ্ব, হৃদয় - সবই পুড়ছিল তোমার সেই রাতে।
পুড়ছিলাম না শুধু আমি; বাকি সবই পুড়ছে বর্তমানে।

Saturday, August 8, 2020

Lifecycle of a tumour

Nobody knows exactly when
A tumour comes into existence -
The precise moment when
Mutation rears its ugly head;
The body, initially indifferent,
Busy in its everyday chores
Against a few bacteria and viruses,
Remains oblivious to obscenities of future.

The tumour grows, unopposed
Fed by the fuel for ordinary cells,
Encoded with silent underground tactics
Until criticality is achieved.
Then commences a mass movement
Of self cloning; a hysteria too poweful
To resist; a current too smooth for discomfort.

But like all greed under the Sun
The fuel eventually runs out;
And the body breaks down,
Or should I say, breaks itself down?
Then come the desperate therapies,
Chemo, radio, hormone, immuno...
Alas! Transients become the only reality.

Alas! The source, the first mutant cell
Has long gone by now... What remains
Is the aftermath, and a sad demise
Of what we at present call the State.

Friday, August 7, 2020

Absurdities of the night

I was awake tomorrow;
There was only a moon left
As the usual suspect.
A pale, calm footprint of life
Dwarfed by the hammer of time,
Yet, shining of its own might;
I was awake, mildly, in the long night.

I looked around to find familiar stars,
And even a few new constellations;
As I glided through the emptiness
I figured where transients reside.

Would you live in such a bubble with me?
Abstracts and absurdities; notations, fecundity
Where the night isn't how you imagined it to be
And the day, just another forgotten entity.

Does any of this make sense to you?
Or do these, like chocolate, evaporate
Similar to stories on your lover's tongue
As closed eyes never really see the one,
You are hiding from existence tonight.

Oh wait, I just returned from tomorrow
You know, for a transient ...
To feed the ancients, some fossil-rights.

Saturday, August 1, 2020

জন অরণ্য (The Middleman) : Afterthoughts

আবার সময় আসতে চলেছে যখন চাঁদের ওজন, আর কে ছিল রামের বোন , প্রশ্ন-পদাবলীর শীর্ষে স্থান পাবে। ব্যোমকে গেলে হবে না। Science আর Mythology দু-ক্ষেত্রে সঙ্গমিত হতে পারে - দুটো extreme পর্যায়। ১. সমাজ যখন শিক্ষার চূড়ায় থাকে, আর দ্বিতীয়টা না বললেও চলে। গরমকালে পাহাড়ের ওপর থেকে বহুদূর অবধি দেখতে চাইলেও, স্পষ্ট দেখা যায় না। মাটির তাপে দগ্ধ হয়ে গরম হাওয়া তাড়াতাড়ি আকাশে উড়তে চায় (আসলে হাওয়া তো আর জলে ঝাঁপ দিতে শেখেনি); কিন্তু ওপরে থাকা হাওয়া কেন নিজের জায়গা ছেড়ে দেবে? অতএব সেই মিলনক্ষেত্রে দুজনের ঝগড়ায় আমাদের চোখে দিগন্ত ঝাঁপসা হয়ে ওঠে।
এই যে মাঝখানে লড়ে যাওয়া, নিজের সাথেই, নিজেকেই বিবিধ রূপে বিভক্ত করে, এর অস্তিত্ব শুধু দিনের বেলায়ই। রাত নেমে এলে, কোনো দিগন্ত এমনিও দেখা যায় না। তখন পড়ে থাকে নিজেরই সমস্ত রূপের মৃত দেহ। Load-shedding হোক বা না হোক, সিগারেট পুড়ুক বা জীবন, মন - দেশলাই ঠিক জ্বলে চলেছে।

Story-telling-এর grammar অনুযায়ী গল্প কোনদিকে যাচ্ছে তা বুঝে ফেলা যায়। এই বোঝার মধ্যে মেধার তেমন কোনো role নেই। অতএব জন অরণ্যের শুরু থেকেই আমরা জানি ঠিক কি হতে চলেছে। কিন্তু storyteller নির্ণয় করেন কি ভাবে আমরা point A to point B পৌঁছবো। সেটা বাস-এ হতে পারে, ট্রামে বা ট্যাক্সিতেও হতে পারে; আবার পাতালের পথ হয়েও।

আমি শঙ্করের জন অরণ্য পড়িনি। সত্যজিৎ রায়ের গল্পই আমার একমাত্র source . সিনেমার শেষের আধ ঘন্টা দর্শককে উনি tease করেন। দর্শক জানে নদী কোন পথে বইছে। এ এমন নদী, যে মাঝে দু বার বাঁধ দেওয়ার প্রচেষ্টায় আমাদের মনে একটু আশা জাগে; যাক সেই মানুষটা তো না... এর থেকে অন্ততঃ একটা প্রশ্ন তো উঠেই আসে, যে মানুষকে আমরা চিনি না, তার প্রতি আমরা কি আদৌ সহানুভূতিশীল?
যদি না হয়ে থাকি, তাহলে কি সহানুভূতি মিথ্যে sentiment মাত্র? নাকি আমাদের মানুষ হিসেবে কর্তব্য সহানুভূতির গন্ডিটা বাড়ানোর?
কিন্তু কতদূর? নিজেকে মেরে অন্যকে বাঁচানো কি সম্ভব? হ্যাঁ, কিছু মানুষের জন্য হয়তো সম্ভব, কিন্তু আমরা, যারা শুধু পরীক্ষা দিতে শিখেছি, নিজেরটা আদায় করতেই trained হয়েছি, এই আমরা - ভারতীয়, বাঙালী middle -class কি তাহলে আদতে এক একটা middleman / middle-woman নই?

হলেও, জন্ম থেকে কেউই কিছু হয়না। প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো সম্ভব কিনা জানিনা সব সময় , তবে উচিৎ  অবশ্যই। সত্যজিৎ বাবুর সিনেমায় শেষ দৃশ্যে সোমনাথ অন্ধকারে ঢুকে যায় এবং তার আদর্শবাদী বাবা স্বস্থির নিঃস্বাস ন্যান।

মেনে নিতে হয়। সিনেমা শেষ হয়ে যেতে পারে, কিন্তু জীবনে বারবার বিদ্রোহ করা যায়, পরীক্ষা দেওয়া যায়। কেউ ক্লাস 5 এ হাল ছেড়ে দেয়, কেউ তিরিশ পেরোলে।  বাকিরা লড়াই করে যায়।

The Choice

At 03:17 UTC, the system stopped. Nothing on Earth stopped with it. Freight trains moved through mountain tunnels, satellites adjusted their...