Sunday, July 19, 2026

The Song

 The winds shall pass, the sea shall sing

The birds will feather, the ink will hide.

Yet the song must live on -

The one song that the songbirds sing

In lands separated by oceans of mistrust;

The one song that reminds of the cradle

Where men learned the ways -

Of life, of nature and art -

And smoked it all to ash and dust.

Thus lives the song, in his genetic ruins

Making him his own master, defying the Gods

Who once came to him, and whispered 

A tune that he was meant to miss.


So the man still strives to day

To master, to perfect the gift -

Forging friendships and death with passion,

Ignoring the bits that he would always do.

And thus the Gods live on

In the folly of Men, reminding them

What they could never hope to be.



The Man

 And what does a Man do?

When he becomes one with the change -

That he sought not to bring but facilitated?

Does history judge him kindly?

He wanders his ocean of wisdom

And is lost forever, like the sleeping City,

Without a living soul for companion 

But ghosts, buried in the wreckage of lore.


So wander he must, a long, cruel voyage.

Within his own head, living out his exile

As all spectators would do, long after he's gone

Those who chose to bear witness and inaction

In the name of Gods, so shall they live on

As timeless examples of what Man did to Man.

The City

 Hours before darkness strikes,

The city sleeps a peaceful sleep;

The wind is calm, the Moon is new

And the waves seem to be a distant chore.

Unaware, the city sleeps a peaceful sleep,

Days of fire are over, stars are finally here.


But just by the city gates waits a truth,

A figure of lore hidden inside man's interior.

The floodgates of blood will be opened,

Fire shall return, and take its due.

And the city - dreaming in its pride,

Gold, glory, wisdom and songs -

Will sleep forever more.


Tuesday, April 7, 2026

রাজপথ

 স্বপ্ন ফিরেছে আবার, পুরোনো ঠিকানায় 

ভাঙা পথ মেরামত শুরু, রাজপথের আশায়।

ঠিক যেন ফেলে আসা দিনের এক ফোঁটা দুপুর

সন্ধ্যের নাম লিখেছে কম্পাউন্ডারের খাতায় ।

আমি, অনেক বছর পর,

ফিরে এসেছি এখন, আবার ছোটবেলায়;

এভাবেও ফিরে আসা যায় -

নতুন সাজে রাঙা, বদলে যাওয়া দুনিয়ায়।


কত পাল্টে গেছে দেখি; মানুষ, জীবন, মন

 মঞ্চের কোনায় ভারী হয়েছে না থাকার দল।

আমার পা চলেছে সিঁড়ির বুক বেয়ে - 

নিজের বুকের কম্পন গেছে সয়ে;

মঞ্চমধ্য আমি। নাটকের নব এক্ট 

তীব্র আলোয় মিশে যাচ্ছে পর্দা নামার ভয়

পেছনে যাচ্ছে থেকে, সব যা থেকে যায়।


বার্তা এসেছে নতুন; মৌমাছিদের ঘরে

গুনগুনিয়ে উঠুক আগামীর স্তরে স্তরে।


Wednesday, March 4, 2026

অভিমন্যু নিধন

 কে বলে মহাভারত রূপক মাত্র?

শুধুই মহাকাব্য, ইতিহাস নয় -

সত্যিই ইতিহাস নয় - বর্তমান -

দাউ দাউ করে জ্বলে জানান দিচ্ছে

আজও সে আছে - সত্যের মাপকাঠি হয়ে।

অভিমন্যু আজও চক্রবুহ খুঁজে নিয়েছে

বীর দর্পে এগিয়ে গেছে যুধিষ্ঠিরের দায়ে 

একে একে দরজা বন্ধ হয়ে আসছে -

কোনো পাণ্ডব সাথে নেই, কেউ কথা রাখেনি।

অষ্ট দিক থেকে প্রহার করছেন মহারথীগণ

পবিত্র রক্তে রাঙা হচ্ছে ধরিত্রীর সিঁথি ।


অভিমন্যু বারবার চলে যায় কালের গহ্বরে ।

কৌরব-পাণ্ডব-তাণ্ডব লীলা শেষে

উগ্র ব্রহ্মাস্ত্রের ধাক্কায় জন্ম নেয় পরীক্ষিত

ভেঙে যাওয়া ভূখন্ডে উত্তরাধিকার বুঝে নিতে।


Saturday, February 14, 2026

জীবনদর্শন

 তোমার সাথে জীবনদর্শন জীবনে জীবনে ভরা 

 দীর্ঘ জীবন খুব সহজে ক্ষনিকেই হবে সারা । 

Thursday, January 29, 2026

সবুজ

 ধূসর পৃথিবী দিয়ো না আমায়; 

সমুদ্র, খনি, মণি - মাণিক্য নয়

আমায় সবুজ দিয়ো, পুনর্জন্মের থলিতে

সাথে দিয়ো আত্মবিশ্বাস, চেতনা

যাতে ধূসরের বুকে রামধনু এঁকে দিতে পারি।


Friday, January 9, 2026

স্মৃতিচারণের শোকসভা

মানুষ চলে গেলে তার বন্ধু বেড়ে যায়
সবার হঠাৎ মনে পড়ে, 
আহা কি দিন কাটিয়েছি একসাথে!
তার ছোট ছোট জিনিসেও কত গভীর দৃষ্টি ছিল সকলের;
যা কেউ মনে রাখেনি, তা আমার কত স্মরণীয়!
সম্পর্ক সহজ হয় মৃত্যুর পর।
স্বাভাবিক কারণেই হয়তো।
তখন মানুষটাকে পাওয়া যায় সম্পূর্ণ নিজের মত করে -
মতবিরোধের উপায় নেই - যাহা কল্পনা তাহাই সত্য
সত্যরে লও সহজে!
শোকসভা, স্মৃতিচারণ - আসলে বিস্মৃতির অট্টহাস্য
ভুলে যাওয়াই মনে পড়া, দ্বন্দগুলোই যেন জীবনরস।

কিন্তু দরকার আছে - যারা ইহলোকে থেকে যায় তাদের
দরকার আছে - যারা ইহলোকের ভবিষ্যত, তাদেরও।
ছেড়ে যাওয়া, রেখে যাওয়ার মাঝে থেকে যায় কিছু
হিসেব ভাবলে হিসেব; স্মৃতি ভাবলে স্মৃতি; ছোঁয়া ভাবলে তাই।
আকাশ-ভরা সূর্য তারা, তাহারই মাঝখানে
কোনো না কোনো গহ্বরে
 সবাই যেন স্মৃতিসৌধ হয়ে চির-বর্তমান।

Tuesday, January 6, 2026

কম্পন মামা

 কাল শুনেছিলাম বোকা বাক্সে,

দাউ দাউ করে জ্বলছে বাংলাভূমি

দুঃসময় ঘনিয়ে আসছে দ্রুত -

ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বাঙালী 

হঠাৎ কেঁপে উঠলো শীতে -

যেন বাড়ি ফিরে এসেছে মামা

অনেক বছর পর, বিদেশের চকলেট নিয়ে।

এভাবেই কাঁপতে কাঁপতে বাঙালী 

তুমি কাঁপিয়ে তুলো আবার এই ধরিত্রীকে

যাতে আনন্দের বাজারে তোমার মূল্য ফিরে আসে

অনেক দিন আগে বিদেশে চলে যাওয়া মামার মতো ।।


Monday, December 29, 2025

পথের দাবী

 শুভ্রাকে ট্রেনে তুলে দিয়ে মনটা বেশ উদাস ছিল অভীকের। হতে পারে দু' দিনের জন্য আলাদা থাকা; কিন্ত এক বছর তারা এক সাথে আছে। নব দম্পতি।

উদাস হলেও একটা ফুরফুরে মেজাজ আছে অভীকের। বাইরে ড্রাইভার সহ ভাড়া করা গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। ইচ্ছে মত আজ ও যেকোনো জায়গায় দাঁড়াতে পারে, যেমন ইচ্ছে খেতে পারে; কোনো তাড়া নেই। মালদহ স্টেশন থেকে বেরিয়েই দেখতে পেলো কুশল গাড়িতে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। অভীক কাছে আসতেই কুশল ড্রাইভারের দরজা খুলতে ব্যাস্ত হলো। তারপর অভীককে সামনের দরজা খুলতে দেখে একটু অবাক হয়েই বললো, ' সামনে বসবে নাকি ?'

অভীক একটু হেসে বললো, ' হ্যাঁ, যাতে কেউই না ঘুমাই '।

গাড়িতে ঢোকার সময় কুশল অভীকের সিটটা পেছনে ঠেলে দিলো, যাতে লম্বা মানুষটার পা রাখতে কোনো অসুবিধা না হয়। সিটে বসে বেল্ট বেঁধে নিয়েই অভীক বললো, গাজলের কোনো ভালো ধাবায় দাঁড়িয়ে একটু ব্রেকফাস্ট করে নেবো, ঠিক আছে? সেই ভোর বেলা থেকে না খেয়ে চলছে। কুশল মাথা নেড়ে সম্মতি দিল, মনে মনে নিশ্চই খুশি হয়েও।

মালদহ থেকে গাজল মিনিট কুড়ির পথ। রাস্তার ধারেই মা লক্ষ্মী হোটেল। বেশ কিছু সিঁড়ি দিয়ে উঁচু করে রাখা হোটেল এ ঢোকার পথ। গাড়ি পার্ক করে দুজনে সেই সিঁড়ি ধরে উঠে পড়ল জনমানবহীন - চেয়ার - টেবিলে ঢাকা মা লক্ষী হোটেলে। কুশল হাঁক দিলো, ' খাবার আছে কি?' বেশ কিছুটা দূরে দুজন মধ্য বয়স্ক মানুষকে একটি ঘরে দেখা গেলো। তারা কি যেন বললো। অভীক বুঝল না। কুশল আবার একই হাঁক ছাড়ল। এবার ভেতরকার লুঙ্গি পড়া মানুষটা একটু জোড়েই জবাব দিলো, ' না, কিছু হবেনা এই সকালে!'

অভীক ঘড়িতে দেখলো, ১০টা বাজে। মনে মনে ভাবলো, এই নাকি সকাল? তাতে আবার খাবার নেই! একটু বিরক্তি আর হতাশা বেরিয়ে এলো, ' একটা বোর্ড লাগিয়ে রাখতে পারে তো!' কুশল হালকা সুরে বললো, ' সারা রাত এরা ডিউটি করে তো, একদম ভোর অবধি। তাই এই সময়টা খাবার থাকে না বোধহয়। এখন ওতো গাড়িও নেই। ডিম টোস্ট খাবে নাকি?'

অভীক বললো, ' না, আর কোনো ধাবা নেই এদিকে ভালো?' কুশল সাথে সাথেই বললো, ' হ্যাঁ, আছে তো। অনেক আছে। সামনেই বনফুল।'  

গাড়ি ৫ মিনিটে পৌঁছে গেল বনফুল ধাবায়। অভীক ঢুকেই কর্মচারীকে জিজ্ঞেস করলো, খাবার পাওয়া যাবে? হ্যাঁ, যাবে তো। রুটি আছে, ডাল ফ্রাই হবে, আলুর পরোটা,  সাথে কাবুলি ছোলা। মনটা চট করে আলুর পরোটার দিকে গেলেও, অভীক বললো, সে রুটি আর ডালই খাবে। সাথে চা। কুশলেরও একই ব্রেকফাস্ট ঠিক হলো। কুশল একটু এদিক ওদিক ঘুরছিল; অভীক ওকে ওর সামনেই বসতে বললো।

তিনটে রুটি আর ছোলার ডাল চলে এলো দু'প্লেট। দেশের গরম পরিস্থিতির আলোচনার মাখন লাগিয়ে গরম রুটি আরও কিছুটা সুস্বাদু হয়ে উঠলো। অভীক একটু পছন্দ করে মানুষের চিন্তাধারা বুঝতে। যদিও, ইদানিং দেশের মানুষের মস্তিষ্কে যেন ভয় আর অবিশ্বাস ছাড়া অন্য কিছুর কোনো জায়গা নেই। কুশলও তেমন ব্যতিক্রম নয়। ফোন, টিভি, খবরের কাগজের মাধ্যমে হানাহানির চর্চা মানুষকে সৈন্য বানিয়ে তুলছে। অভীক হ্যাঁ-তে হ্যাঁ মিলিয়ে চলে; কাউকে কিছু শেখানোর, বোঝানোর ইচ্ছে হয়না তার। তার মনে হয়, মানুষ ভালো হতেই চায়; সাময়িক ভাবে উত্তেজিত হওয়া এক প্রকার নিজেকে নিজের অস্তিত্ব জানানো - যেমন যেকোনো ডেসার্টে অল্প নুন তার স্বাদ বাড়িয়ে দেয়।

খাওয়া শেষ হলে, বিল মিটিয়ে অভীক গাড়িতে গিয়ে বসলো। এবার বাড়ি ফেরার পালা। সুন্দর ভাবে গাড়ি চলতে থাকলো গঙ্গারামপুরের পথে। এটা - ওটা আলোচনা চলছে দুজনের। অভীক শুনছে, মাথা নাড়ছে; কুশল অনেক কিছু বলছে, আনন্দে আছে। বুনিয়াদপুর পেরিয়ে একটু এগোতেই কুশল গাড়ি থামিয়ে দিলো। অভীক একটু অবাক হয়ে বললো, কি হলো? 

- এমন একটা জিনিস দেখলাম, দু'বার না দেখে পারছি না। এই বলে কুশল হাইওয়েতেই গাড়ি ঘুরিয়ে ৫০ মিটার পেছনে গেলো। আবার গাড়ি ঘুরিয়ে আগের রাস্তায় নিয়ে এলো। 

কি দেখলেটা কি তুমি? অভীকের মনের মধ্যে তখন পুলিশ পুলিশ গন্ধ আসছে।

- ঐযে সামনে সাদা এম্বাসেডরটা দেখছো, ওটা আমার প্রথম গাড়ি। ১৩ বছর আগে বিক্রি করেছিলাম। রাস্তায় দেখেই মনে হয়েছিল, কিন্তু তাও একবার শিওর হওয়ার জন্য ঘুরলাম।

কুশলের এই ভাব দেখে যেন কোন্ অদৃশ্য অজানায় হারিয়ে গেলো অভীক। তার নিজের কোনো গাড়ি নেই, কিন্তু সে জানে মানুষের নিজের চালানো বা কেনা গাড়ির সাথে বন্ধন থাকে একটা। সেটা কতটা গভীর তা আজ কুশলের এই মুহুর্তের উত্তেজনা অভীককে বুঝিয়ে দিচ্ছে যেন। শুধু গাড়ি কেন? এ যেন এক মহাজাগতিক মিল - যা সবাই কিছু না কিছু নিয়ে অনুভব করে কখনো বা কখনো। পুনর্ভবা নদীর ব্রিজের ওপর এম্বাসেডরটা দাঁড়ালো। কুশলও গাড়িটা থামিয়ে অভীককে বললো, যাই একবার কথা বলে আসি?

অভীক আবারও হেসে মাথা নেড়ে সায় দিলো।

Tuesday, December 9, 2025

Exodus

What is life but a series of exodi -
A child's birth from a safe, nurturing womb
A boy learning to walk by himself
A young man yearning to hold a hand
An adult signing a bond of responsibility 
A father kissing his newborn's eyes
A Man holding on...to the edges of a boat
Tightly clutching his daughter to his core,
His wife by his side, and hope just a bit too far.
Exodus, after exodus, after exodus
The one from the promised land is a refugee,
An alien - to himself, and to others like himself.
Those who call him names are yet no better;
Ignorant and proud, they are yet to see
What it means to be a hopeful Man
In a world where all hope has ceased to be.

The Song

 The winds shall pass, the sea shall sing The birds will feather, the ink will hide. Yet the song must live on - The one song that the songb...