Monday, December 16, 2019

সময়

কোনো এক মাঝারি শান্তির মধ্যে রাতে
স্তব্ধ, ঝাঁপসা জানালার ওই পারে
টিমটিমানো কিছু হলুদ আলো দেখা যাচ্ছে।
বাইরে ঠান্ডা, চার দেওয়ালে মন্দ নেই নিজের সাথে;
যে আলো জ্বলছে তা আমি জ্বালিনি;
কতদিন হলো, কোনো আলোই জ্বালিনি আমি।
যেখানে জন্মেছিলাম, সূর্যের তাপ ছিল তৈলাক্ত পিঠে
কদিন মেঘ এলো, আমিই বয়ে গেলাম অভিমানের স্রোতে।
এখন যদি জানালা খুলেও দি, কিই বা প্রমান হবে তাতে?
ছোট্ট আনন্দ গুলো উঁকি ঝুঁকি দেয় ইদানিং
তা সে নক্ষত্রই হোক, বা যীশুর আগমনের ব্যাকুলতা 
প্রতি আলো আলাদা, প্রতি আঁধার স্বাধীন
কোন ক্ষনে মিলেছিল, মিশেছিল, কবে নিজেদের রাস্তা বুঝে নিলো
বর্ণময় ইতিহাস নিয়ে ছুটে চলেছে, অথচ সময়ের ঝড়ে কোনো ধূলো।


Saturday, December 7, 2019

Ikea : Decorating your Catholic home

What a world they have left us!
And what great craftsmen we are
Regular fights for equality equity
Towards a finale with nothing left to share.
Definition, colour, flags and desires
Bright symbolism on humorous pyres.
Globalised in a post modern shower
Here we are, confused about a new affair.

May God save Ikea.


Friday, November 29, 2019

ঘর

থাক না, যদি থাকে দুপুরের খাবার তোমায় ভুলে
ক্ষিদে কি আদৌ কোনোদিন অগভীর ছিল?
ভুলে থাকতে পারার ঐতিহ্য ক'জন বা পায়!
শুধু কবি জানে কোন শব্দের কতটা জোর,
কোথায় গাঁথা থাকে সর্বস্ব মরমের ভেতর,
ভুলের যজ্ঞশালায় কোথাও পুড়ছে বাসর
কোথাও ভাঙছে গদ্য, ছন্দ বাঁধছে ঘর।
তাই থাক;
নিংড়ে নেওয়া রাতের চিহ্ন জানলার ওপর।

Sunday, November 24, 2019

শরীর

শরীর। যার অঙ্গে অঙ্গে বিদ্রোহ
যার প্রতি তরঙ্গে মুক্তির গভীর তারণা
যার নরম ছোঁয়া আগুনের চেয়ে তীব্র
অথচ শীতল জলে ধুয়ে যাওয়া সব অনর্থ।
পেয়েছো তেমন শরীর তুমি?
যাকে নিজে ছোঁবে বারবার
আয়নার সামনে পরিহাস করবে সৃষ্টিকে
অহংকার হবে এক মাত্র যার অলংকার;
পেয়েছো সেই শরীরের নিজের শরীরে স্বাদ?
দেখেছো ভস্ম হতে প্রেমিকের সব তেজ
মিলিয়ে যেতে তোমার মধ্যে একবার বারবার?
যদি সেই শরীর আজ তোমায় বিদ্রুপ করে
আয়নায় হেসো একবার,
তুমি শরীরের নও, শরীর তোমার।

উত্তর দক্ষিণ

দক্ষিণ? মুখ ফিরিয়ে নিয়ে উত্তরের পথে সে
কিন্তু যতই উত্তরে যায়, মেঘ ভিড় করে আকাশে।
রোদের তীব্রতা ফেলে দ্রুত পালাবে ভাবে কবি
আর্দ্র হাওয়ার বিভীষিকা তাই ভেবে দ্যাখে নি।
রাস্তা জুড়ে ছড়িয়ে আছে প্রিয় লেখকের পুঁথি
হঠাৎ খেয়াল হয়, সময়ের খেয়াল সে আদৌ রাখেনি।

বন্ধু যেন বাজারি দই-এ আলতো মধুর প্রলেপ
দু' চামচেই টকে যাওয়া বাস্তব আসে ফিরে;
দুপুর গড়ালে উত্তরে যখন সন্ধ্যে নামে ধীরে
আকাশ মস্ত কয়লার খনী, ছড়িয়ে কত হীরে।

Monday, November 4, 2019

ফাগুন

নীল আকাশের নিচে ফাল্গুনী হাওয়া। বৃষ্টি আবার কবে আসবে, তার অপেক্ষা। শুকনো খড়ের চালায় 
কিছু শুকনো পাতার আনাগোনা; বাঁশি বাজতে চাইলেও রাখালের বুকে সুরের অভাব।

সে মাঠ আজ নেই, বিক্রি হয়ে গেছে সরকারের কাছে। কারখানা হবে নাকি। গরুগুলোকেও তাই বিক্রি করে দিতে হলো। কে জানে, ওই কারখানায় তারাই আবার ফিরে আসবে নাকি।

হাতের খুব কাছে বাঁশি শুয়ে আছে। সে কোনোদিন মেনে নিতে পারলো না রাখালের নির্ণয়গুলো। নিজেকে
গুটিয়ে নিলো, কিন্তু স্বার্থপর শুষে নিলো বুকের সুরটা নিজের বেঁচে থাকার তাগিদে, পাছে অন্য কোনো রাখাল যদি তাকে খুঁজে পায়!

Wednesday, October 23, 2019

লেখারও বয়স বাড়ে

লেখারও বয়স বাড়ে; মানুষের চেয়ে দ্রুত বেগে
যেমন প্রথম লেখায় বড় হওয়ার গন্ধ থাকে লেগে
যৌবনে নিজেকে খুঁজে পেয়ে পা মিলিয়ে চলা
শেষে এক বর্তমান দুপুরে ভূত-ভবিষ্যৎ খেলা।

কত লেখা আসে, শুধু আঙুল ছুঁয়ে চলে যায়
কিছু আবার মনের দুটো কড়া নেড়ে উধাও
কিছু ধরা পড়ে যায়, পড়তে নেই যেখানে
বাকি ক্ষুদ্রভাগ শান্ত, থেকে যায় নিঃশব্দে।

অনেক লেখা ছিল রাজপোশাকে সজ্জিত
কিছুর হয়েছে বস্ত্রহরণ, বীভৎস তার রূপ
মুছে গিয়েছে সেসবও, ধুয়ে দিয়েছে সময়
আসলে প্রায় সবই ছিল সন্ধ্যেবেলার ধূপ।

কখনো নেমেছে সূর্য, স্নিগ্ধ প্রতিবিম্বের মায়া
মধ্যরাতে দীঘির জলে আলতো কোনো হাওয়া
কেঁপে ওঠা সে বর্ণমালা, বিন্দু-বিসর্গ-হীনা
লেখাদেরও বয়স বাড়ে, মানে না কোনো মানা।।

Monday, October 14, 2019

দূর গগনের হাওয়া

কত নদী সাঁতরে আজ ডাঙায় উঠে এসেছি
কোথাও প্রায় ডুবেছি, কেউ ভাসিয়ে তুলেছে,
কেউ এতই শুকনো যে সাঁতারের ইচ্ছেই চলে গেছে ;
কারোর স্রোতে এমনিই ছেড়ে দিয়েছিলাম নিজেকে
কোথাও আবার সমুদ্র বড্ড কাছে চলে আসায়
উল্টো স্রোতে গেছি, শক্তি ক্ষয় করেই না হয়;
যখন চর পড়েছে , তখন আমার কান্নার ভাগ চেয়েছে
বর্ষা এলেই তারপর বাঁধ ভাঙতো কোথাও, কোথাও ঘর;
 মেঘমল্লার গাইতে আসছে দূর গগনের হাওয়া,
কোন জল মিশেছে কোথায়, তোরাই হিসেব কর।  

Tuesday, October 8, 2019

বিজয়া

শহরে পুজো শেষ হলো বুঝি,
নদী তীরে উষ্ণ ঠান্ডার ছোঁয়া,
রাত আজ ঘুমাতে চাইছে না তেমন
আমার কাঁধে এই নরম গাল যেমন
অনেকদিন পর শান্তি খুঁজে নিয়েছে।

আঙুল যেন বলতে চাইছে
অপরিচিত দূরত্বের কথা
ভাষায় যেন ঘুম ভাঙছে
কিছু কবিতার চোখের পাতার;
আর আমি? সে তো তোমায় ছুঁয়ে আছে
আলতো করে, সাবধানে মনের খুব কাছে।

Sunday, October 6, 2019

নবমী

অনেক কথা না লিখেও কি
কিছু কথা পৌঁছে দেওয়া যায় তোমার কাছে?
অনেক তাকানোর আড়ালে
একবার চোখে চোখ যেমন হঠাৎ মিলে যায়,
তারপর কে কোথায় ছিলাম সে সব খেয়াল থাকে না।
যেমন প্রেমিকার হারিয়ে ফেলা অধিকারের টুকরো কাঁচে
ঝলসে ওঠে বাস্তবের করুন কিছু মূর্তি; আবছা হলেই মুছে ফেলো।
এ কোন গল্পের নাট্যরূপ দিচ্ছি আমরা বলো তো ?
দর্শক ক্লান্ত; আর কতদিন আগলে রাখবে বইয়ের শেষ অক্ষরগুলো ?

Monday, September 23, 2019

অঙ্ক অঙ্ক খেলা

অঙ্ক কষছে পাশের ঘরে কেউ
নতুন কোনো রহস্য সন্ধানে
নতুন কোনো প্রেমের আঘাত নিয়ে
নতুন কোনো ভবিষ্যতের টানে।

একটা টেবিল গুছিয়ে নিয়েছে কেউ
পড়ে আছে কিছু আবর্জনার পাতা
কাঁপতে থাকা বোতল বন্দি জল
আর অঙ্ক মাখা যাযাবর কিছু খাতা।

পাশাপাশি দুই ঘর, অঙ্ক অঙ্ক খেলা
হবে না কত খেলারই সমাধান
শুধু বদলে যাবে ছোঁয়া, মুছতে শিখবে হাত
গড় নিলেই তো আর সবাই হয় না সমান।


The Choice

At 03:17 UTC, the system stopped. Nothing on Earth stopped with it. Freight trains moved through mountain tunnels, satellites adjusted their...