Friday, December 1, 2023

Eyes closed

Whispers, my friend, are my gift to you;

Non-existent truth that you succumb to

In the hours when the night is dead.

Your eyes open in the dark and you seek

Inner vision, to guage the depth of madness.

And you find nothing, except the nothingness

Of half-burnt souls still living within yours.

You apparate to those younger days,

Yesteryear, like yesterday; bright, happy faces

You sit up and search for the glasses.


Alas! There is none. 

You left them on the table,

Like you were,

By the hands - which once needed You.

So you learn to read, eyes closed

Exactly as you have done before.

Monday, November 13, 2023

মেঘের সাঁঝবাতি

 শান্ত স্বভাবের তারা তুমি

 ঝড়ের দাপটে যখন সাঁঝবাতি উত্তাল

বিশ্ব তাকিয়ে থাকে তোমার দিকে

তুমি বিশ্বাস ফেরাও। নম্রতায়।

আমি উঠে জানালা ভেজিয়ে দিই 

তুমি আছো জেনে,  

বৃষ্টি থেকে আগামীকে বাঁচাতে।

শব্দ হয় পাতার শিহরণের, আকাশের গাম্ভীর্য

আমি মন দিয়ে মোমবাতি দেখি

তার স্নিগ্ধ আলোয় রঙের খেলা,

কোথায় যেন শুরু, কোথায় তার ক্ষয়; বিস্ময়!


ছেলেবেলার তাকে সাজা বড় হয়ে ওঠায়,

নির্ভুল অঙ্ক, ভূগোল, ব্যাকরণ খাতায়

 আছে কত কবিতার বুক, উপন্যাসের হৃদয়।।

Friday, October 27, 2023

কুয়াশা

শৈশব মনে পড়ে মাঝরাতে

তন্দ্রাহীন নেত্র, আকাশের ডাক
স্মৃতির উঠন জুড়ে বৃষ্টির ছাট;
কোথাও নদীর ঢেউ, কোথাও বা মাঠ
ভাতের থালার বুকে কাতলার কাঁধ।

সাইকেল খেলা যেন আধুনিক স্বাদ
লেখাপড়া ভুলে গিয়ে ভাসানের নাচ;
ছোট ক্লাস, ছোট হাত, ছোট ছোট স্থান
ভরে আছে বিস্ময়, সাথে অনুতাপ।

ভেঙে ফেলো ছন্দ, যেমন ভেঙেছি আমি
তুমিও তো, তাই না? লাল - নীল - বাদামি
কত ছবি খুঁজেছ রাংতায় ঘেরা
মা বাবার স্বপ্ন তুমিই তো সেরা!

হয়েছো কি? আদৌ নিজের কাছে নিজের মতন?
যা হবে ভেবেছিলে - তার কিছু কণা মাত্র?
জীবন কি তোমারও অত কঠিন ছিল বন্ধু -
সেই মানুষদের মতো - যাদের চেনো তুমিও?

বলো? আমায় না, উত্তর দাও তাকে 
যে তোমায় হারিয়ে ফেলেছে জীবনের স্রোতে।
আর তাদের, যাঁরা এখনও আছেন তোমার অস্তিত্বে,
যাঁরা বলেছিলেন বারবার - মানুষ হতে।

হাত বাড়ালে নিজেকে খুঁজে পাওয়া সহজ
কিন্তু তুমি কি মুখোমুখি দাঁড়াও সে চেহারার?
নাকি মধ্যরাতে তুমিও হাতছানি পাও অতীতের -
আর ভাবো, সকাল হলে সব ঠিক হয়ে যাবে?

Friday, October 20, 2023

Broken symmetry and propagating waves

 

Target phase waves for over-damped sine Gordon equation. These waves appear in the presence of thermal fluctuations as a result of competition between arrested and cycling states, close to the transition point.

The over-damped sine Gordon equation can be derived as a special case of the complex Ginzburg-Landau equation supplemented with a continuous-symmetry breaking term [1].


Reference : I. S. Aranson and L. Kramer, The World of the Complex Ginzburg-Landau equation, Rev. Mod. Phys. 74, 99 (2002).

Tuesday, September 12, 2023

Pulsating Matter

The field was smooth, and calm.
A steady, uninspiring, arrested nature
To equally steady oscillations -
The field was devoid of life.
In this playground of nothingness
Creeped in some information, dissatisfaction.
And a new region opened itself up
To grey perturbations.

Inhomogeneities came into existence,
Thick, round clusters in hexagonal separation.
What do excitations amount to in life?
Wondered the ancient field,
With its newly broken invariance -
As the clusters couldn't hold on any longer.
Rich, well behaved circular waves were born.

And then the world saw light 
Curiosity blossomed; knowledge flourished.
Until, it was but not enough.
Like it never is (Never, truly forever).
The heart started beating, the cortex woke up.
It is not enough to create, you see.
Whatever is created must also be destroyed.

The circle of reason extends to the field.
Planar waves must break down,
And follow the stipulated path -
Of gradient descent, into their own future -
Spirals and scrolls - turbulent and intelligent.

The ancient field, its homogeneity
Are now things of a long forgotten past.
It's a world of defects - that we inhabit
And take pride in, as we whisk our days away
In the dark of imagination, and science.

Thursday, August 17, 2023

আঁধারপুরী

 আমার ঘরের দরজা বন্ধ, জানালা বন্ধ। 

পর্দা নামানো আছে; পাছে আঁধার পালিয়ে যায়। 

বন্ধ আছে সর্বনাশী আলোর প্রবেশাধিকার;

আলো দূষণ ছড়িয়েছে গঠনের মূলে -

আদি-অনন্ত তার বিচারহীন সাক্ষী। 

এই ঘর আমার, জমি আমার, দেশ আমার;

শক্তি, নিয়ম, অধিকার কেবল আমার। 

আঁধারপুরী সামলাবে অমরত্বের নিশান।


কে বলে, আলোর প্রয়োজন আছে জগতের? জীবনের?

 কিচ্ছুর প্রয়োজন নেই। না আলোর, না জীবনের।

জগৎ অন্ধকারের পূজারী - আলো অস্থিরতা ভিন্ন আর কিছু নয়।

অথচ সব জিজ্ঞাসা, তৃষ্ণার গভীরে সে বাসা বেঁধে আছে,

সুযোগ পেলেই বিস্ফোরণ ঘটানোর মতলব !

ফিরে যাও আলো, এখানে তোমায় দরকার নেই কারোর।

 

তিমিরের ক্ষমতাকে অগ্রাহ্য করা তোমার নেশা -

তুমি মোহিনী, তিমিরকে ফাঁকি দাও তমসা রূপে 

ছুটে চলে গেছো তার গহ্বর থেকে দূর-দূরান্তে

কেন? এই তোমার স্বধর্ম - ব্যাস, এই অজুহাতে?

অনেক সাধনায় আজ এই আঁধারপুরী গড়েছি 

লড়াই করো না। দরজা বন্ধ, জানালা রুদ্ধ - ফিরে যাও ।।

Thursday, July 27, 2023

চেতনা

চেতনা - 
তুমি কি? তোমার উৎস কোথায়?
তুমি অবগত নিজের অস্তিত্ব বিষয়ে?
তোমার বাস্তব উদাসীন?
নাকি তার সঙ্গীমুখর অভিপ্রায়?
তোমার ছোঁয়ায় জগতের প্রাণসঞ্চয়।

তুমি পরলোকের কেউ। 
বিতাড়িত, না বর্ণময়?

আমাদের ত্রিকাল, তরঙ্গ-খোচিত আত্মজীবনী।
এখানে তোমার জন্য দ্বার খুললো কে?
প্রথম আলো তোমার স্মরণ হয়? বা অন্ধকার?
তুমি তো বহুরূপী; আবছা অথচ তীব্র তোমার পরিচয়।

এই মহাবিশ্ব তোমায় পেলো 
         নিঃশব্দে,
             অবচেতনে।
তোমার হাত ধরেই তোমায় নিয়ে বিস্ময়!

Rainy Luxembourg city

 I like a rainy Luxembourg city.

It reminds me of the start, and the end;

Of the gleeful eyes of my friends;

Of the unsure footsteps - then bargained.

It reminds me of independence.


I like a rainy Luxembourg city,

Where lights glow and lives change -

Even during the day.

Let there be no shame to admit

I like it when I see abundance.



 

Saturday, July 22, 2023

প্রতিচ্ছবি

প্রিয় তৃতীয় বিশ্ব 

অস্থিসার অস্তিত্ব 

তুমি, মহাশূন্য 

আমারই মতো - বিধ্বস্ত। 


আমরা; বলতে চাইছি কত কিছু 

সম্পর্কের উজানে; শান্ত প্রতিরোধে;

ভেসে যাচ্ছে সভ্যতা। অভাবে। 


যারা নগ্ন হতে চাইছে না 

তারা কি আদৌ বেঁচে থাকবে?

আগামীর নিষ্ঠুর নীরবতা

মাংসাশী। শুধুই থেকে যাবে


অস্থিসার অস্তিত্ব ?

যেমন আমরা আছি আজ 

ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি হয়ে

পূর্ব প্রজন্মের।

Wednesday, July 19, 2023

জীবনরেখা

নদী সমুদ্রে মেশে; এই তার ধর্ম। 

পরিচ্ছন্ন বাল্যকাল পেছনে ফেলে 

যৌবনের কালিমা মেখে 

সাগর প্রান্তরে বালু জমিয়ে 

নোনা জলে তার মুক্তি। 

 বটে? 


কিছু নদীর জীবন আলাদা -

তার নামার পথে মাটি উঁচু হয়ে ওঠে 

নদীর গতি, পথ রুদ্ধ করে দাঁড়ায়;

চঞ্চল, সাবলীল স্রোত যেন হঠাৎ সম্বিৎ পায় -

তার মুখে, চোখে তখন বাঁধনের প্রতিচ্ছবি,

অস্তিত্ব জানান দেয় নিজের - 

অকপটে। 

 

সমাজ বলে এ তো বন্দীদশা !

মুক্তি নেই, উদার আলিঙ্গন নেই, 

সমুদ্র বলে, গভীরতাও নেই। 

নদী অন্তরমুখী হয় - তার মধ্যেও তো প্রাণ আছে 

কেন তবে তাকেও সাগরে মিশতে হবে?

সাগর নিজেও তো বড় বিল ছাড়া অন্য কিছু নয়;

এতই গভীরতার অহংকার - আলোর অভাবে দেখতে পায় না 

তার সর্বস্ব নোনা ধরে গেছে।


নদী চুপ থাকে।

তার মিষ্টত্ব আছে।

Thursday, July 6, 2023

মঞ্চ

 সমাজ শিক্ষার জন্য কার কাছে কৃতজ্ঞ হয় ? শিক্ষাকে আদৌ সামাজিক দাঁড়িপাল্লায় মাপা ঠিক কিনা জানিনা, তবে যে প্রশ্নটি আমার মনের ভেতর ঘুরপাক খাচ্ছে, তার ব্যাপ্তি সামাজিক - কোনো পরিবার বিশেষে সীমাবদ্ধ নয়। 

একটি পরিবারের ছেলেমেয়েরা যখন লেখাপড়ায় ভালো হয়, কর্মক্ষেত্রে তাদের সুনাম দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ে, সমাজ তখন সেই মানুষদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে ওঠে  - তাদের idolize করে - এবং যথাযথ সম্মান দেওয়ারও সৎ চেষ্টা করে। কিন্তু এই মানুষগুলোর সাফল্যের অভ্যন্তরে ঠিক কি কারণ লুকিয়ে থাকে তা নিয়ে আমরা অতটা হয়তো ভাবি না। 

যেকোনো সাফল্য নিজেই যেমন একটা গল্প হয়, তেমনি সেই সাফল্যের কারণ খুঁজতে গেলে পাওয়া যায় অসংখ্য ব্যর্থতা তথা সাফল্যের ইতিহাস - বেদনার পাণ্ডুলিপি; নিঃস্বার্থ পরিশ্রমের গাথা।  এক একটি সফল কাহিনীর পেছনে থাকেন এমন কিছু মানুষ যাঁরা স্বপ্নের গীতিকার; তাঁদের নাম সাফল্যের ঝাঁ চকচকে গায়ে সহজে পড়া যায় না। কোনো সফল ব্যক্তি তাঁদের নিয়ে কথা বললে তবেই তাঁরা মঞ্চ পান। 

দশ সন্তানের পরিবারে যখন সবাই লেখাপড়ায় ভালো হয়, তখন তার পেছনে নিশ্চই কেউ সঠিক জোরে সংসারের রাষ্ ধরে থাকেন। যেই মানুষটা এই সংসারকে সামলান, দেখা যেতে পারে তাঁর হয়তো শিক্ষা গ্রহণ করার ইচ্ছে এবং ক্ষমতা দুটোই ছিল প্রবল - আর একই সাথে ছিল সুযোগের মহামারী। অথচ নিজের ভেঙে যাওয়া স্বপ্ন দিয়েই কিভাবে সন্তানদের সুন্দর ভবিষ্যৎ সাজিয়ে তোলা যায় - এই হয়ে ওঠে তাঁর জীবনের ব্রত। আবার সেই মানুষটার লেখাপড়া না হওয়ায় হয়তো অন্য কোনো মানুষের বুক ভেঙে যায় - সেখানে জন্মের মতো অভিমান বাসা বাঁধে। সদ্য স্বাধীন দেশে পরাধীনতার শেকল মেনে নেওয়া সহজ নয়।

কেউ আবার ২০ জনের সংসারে লেখাপড়া শিখতে চায় - স্বপ্ন দেখে নিজের মতো আত্মসম্মান নিয়ে বড় হওয়ার, এগিয়ে যাওয়ার। কালের কোপে সুযোগ হারিয়ে গেলেও স্বপ্ন থেকে যায়। পরবর্তী প্রজন্ম উত্তরাধিকার সূত্রে সুযোগ এবং স্বপ্ন দুটোই পায় - হয়তো তার বিনিময়ে কিছু সাফল্যও আমদানি হয়। 

কেউ শিল্পী হন; প্রতিষ্ঠা পেয়েও যেন তার হাতছানিই অনুভব করে যেতে হয় জীবনভর। তখন নিঃশব্দে নিজের বর্তমান দান করেন পরের প্রজন্মের ভবিষ্যতের ডালায়। উপন্যাস না হয়ে গল্প হওয়া বেছে নিতে পারেন কিছু মানুষ; কেউ বাধ্য হন মেনে নিতে। 

আমাদের প্রজন্ম হলো এই সমস্ত ত্যাগের অঙ্কুরিত বীজ। আমরা মেনে নিই না - আমাদের মেনে নিতে শেখানো হয়নি। আমরা মনে করি লড়াই আমাদের চরিত্র। কিন্তু আমরা কি সত্যিই লড়াইয়ের প্রকৃত অর্থ বুঝি? যেই মানুষকে নিজের মাস্টার্স পড়া ছেড়ে বাড়ির ব্যাবসা ধরতে হয়েছিল - আমরা কি তাঁর কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠার গুণগান করি? নাকি নিজেদের দম্ভের ভারে তাঁকে জোচ্চোর ব্যাবসায়ী মনে করি?

আমাদের অসম সমাজ ব্যবস্থায় কেউ যখন শিক্ষা চেয়েও পায় না - তার ব্যথা, তার ক্ষত যে কত গভীর হতে পারে - তা আমার কল্পনার বাইরে। আমরা সাফল্যকে মাথায় তুলে নাচি - ব্যর্থতাকে পারলে আড়ালে পুঁতে রাখি। কিন্তু কেন? ব্যর্থ মানুষের ভীড় ঠেলেই তো তথাকথিত সাফল্যের সম্মুখীন হয়েছি আমরা। আমরা সবাই; শুধু আমার বয়সী সামাজ নয়। 

সামাজিক স্তরে আমাদের চিন্তায় এই ব্যর্থ গল্পগুচ্ছ আসন লাভ করুক। আমরা নম্র হই, এই প্রার্থনা করি।

The Choice

At 03:17 UTC, the system stopped. Nothing on Earth stopped with it. Freight trains moved through mountain tunnels, satellites adjusted their...