Friday, January 6, 2023

অন্তমিলের ব্রতচারিতা

ইচ্ছে তো করে তোমায় পত্র লিখে বলি,
ঘুম থেকে উঠেই বইবো বাজারের থলি।
খসবে না পান থেকে চুন, দেওয়াল থেকে বালি
শব্দ আছে অনেক, আছে দোয়াত ভরা কালি।

দিন যাপনের গাঁথা, বা রাত পোহানোর কাঁথা 
সকাল সকাল বেরোলেও দেবো সন্ধ্যে ভরা কথা।
চাইনিজ যত ভাত, কিম্বা মোগলাই বা পাঠা
স্বাদ বলবে তুমি - সে জল হোক বা আঁঠা।

ট্রেন ধরবো সাথে, সুদূর ডান হইতে বাম
চলতি সাধু তোমার লগে সোজা নবদ্বীপ ধাম।
মান করলে সীতা - এ নবজীবনের রাম
সুড়ঙ্গ পথেই না হয় দেবে ভালোবাসার দাম।

তাছাড়া থাকবে ছাত, থাকবে মত্ত হাওয়া 
থাকবে অনেক দেওয়া, থাকবে প্রচুর পাওয়া ।
থাকবে না মিছে গর্ব, মূল্য পাবে চাওয়া
অন্তমিলে থাকুক কেবল তোমার এগিয়ে যাওয়া।

Tuesday, January 3, 2023

মোহনা

 আমি বসে বসে ভাবি, ঘণ্টা বাজবে একদিন 

মনের ভেতর, সমস্ত শরীরকে বিদ্যুতের ছ্যাঁকা দিয়ে ।

দাঁড়িয়ে উঠবো হঠাৎ; শিরদাঁড়ায় ভর দিয়ে 

দৃষ্টি দেখবে না যা দেখা যায়, সে হবে স্থির - 

জীবনে প্রথমবার নিজের লক্ষ্য দেখতে পেয়ে।

বাঁধন ছিঁড়ে যাবে এক এক করে, টের পাব না বাস্তবের 

হঠাৎ যেন ছুটতে পারবো সেদিন; প্রথমবার 

         যেভাবে কোনোদিন পারিনি।


এই যে আমি বসে বসে ভাবি - এর মধ্যেই 

অঙ্ক মিলিয়ে ফেলে শত শত মানুষ, কেউ জিতে নেয় সোনা 

কেউ নতুন নতুন ফন্দি এঁটে ফেলে জীবনের জয়গানের

কেউ রেখে দেয় নিজেকে অন্যের কোলে - 

কত মানুষ কত কাজ করে ফেলে, জীবনের তাগিদে 

আর আমি - বসে বসে ভাবি - 

কবে নিঃসংকোচে নিশিডাক দেবে চেতনা !


সেদিন আমি কি দেবো চেতনাকে?


Friday, December 30, 2022

কর্মকার

স্কুলে মাঝেসাঝেই আমাদের শিক্ষক - শিক্ষিকারা প্রশ্ন করতেন - আমরা জীবনে কে কি হতে চাই? সেখানে মনে পড়ে না কেউ cricketer, rockstar বা wrestler হতে চেয়েছিল কি না - আমরা ছিলাম মফস্বলের সন্তান; মধ্যবিত্ত। অনেকেই ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখতো, কেউ কেউ হয়তো ইঞ্জিনিয়ার, আর আমরা কয়েকজন ছিলাম যারা বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে নিজেদের কল্পনা করতাম। (যারা খেলাধুলায় exceptional ছিল, এই ঊর্ধ্বমুখী সমাজ তাদের নিয়ে তেমন ব্যস্ত ছিল না।)

আমার ক্লাসমেটদের মধ্যে অনেকের সাথেই আমার যোগাযোগ অব্যাহত থেকেছে গত পনেরো বছর। তাদের জীবনের অধ্যায় পাল্টেছে, স্বাভাবিক মতে। আমার বন্ধুদের মধ্যে অনেকেই আজ 'established' - শতকরা ৯০ ভাগ আজ IT professional, দু - তিন জন ডাক্তার, কিছু ব্যবসায়ী, আর গুটি কয়েক ইঞ্জিনিয়ার।

 এই ইঞ্জিনিয়ারদের মধ্যে একজন এখন পশ্চিমবঙ্গের উত্তর- পূর্বের এক সুপার স্পেশালিটি জেলা হাসপাতালের electrical-engineer ইন চার্জ। ধরে নেওয়া যাক তার নাম সত্যজিৎ কর্মকার। আমার স্কুলে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত দুটো করে সেকশন থাকতো। পড়াশোনায় ভালোরা থাকতো A সেকশনে, বাকিরা B তে। সত্য A সেকশনে আসে দশম শ্রেণীতে। আমাদের ক্লাসের তথাকথিত "স্ট্যান্ড" করা ছাত্রদের দলে সত্য ছিল না। স্কুলের পরে এক বছর Physics Honours এর course করে, Joint Entrance Test দিয়ে বর্ধমানে Electrical engineering নিয়ে B. Tech. করে সত্য। তারপর যাদবপুর থেকে নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং এ M. Tech. (স্বর্ণপদক জয়ী) এবং তারপর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ইঞ্জিনিয়ার।

সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। দশ তলা। তার civil, mechanical, electrical - সব architechture - ই আলাদা সাধারণ জেলা হাসপাতালের থেকে। ১১ হাজার ভোল্টের ডাইরেক্ট লাইন আসে হাসপাতালে, সেখান থেকে ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে লাইন কনভার্সন হয় ৪৪০ ভল্টে। সেই ট্রান্সফর্মার ঠান্ডা রাখতে দুই বড় বড় পাম্প যার মধ্যে আবার আর্দ্রতা কন্ট্রোল করে রাখা দরকার সব সময়। ট্রান্সফর্মার রুম থেকে current এর লাইন গেছে পাশের Main Panel রুমে। এই Panel রুম হলো হাসপাতালের ইলেক্ট্রিসিটির প্রধান ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টার। এখান থেকে লাইন দু ভাগে বিভক্ত - একটি হাসপাতাল বিল্ডিংয়ের ভেতরের জন্য এবং অন্যটি বাইরের (স্ট্রিট লাইট, ইত্যাদি)। এই panel রুম থেকেই সমস্ত হাসপাতালের ইলেক্ট্রিসিটি কন্ট্রোল করা হয়। বিভিন্ন সেন্সর প্রতিটি সেকশনের সুরক্ষা নির্ধারণ করতে regularly monitor করা হয়। Panel রুমের নিচে বেসমেন্ট - সেখানে আছে water purification এর ব্যবস্থা এবং তার পাশে রাখা আছে তিনটে water pump আগুন মোকাবিলার জন্য। এই তিনটে পাম্পের প্রথমটি ছোট - কোথাও আগুন লাগলে এই পাম্পের সংলগ্ন pressure valve সেন্সরের কাজ করে। আগুন লাগলে অটোমেটিক pressure কমার কথা এবং পাম্প চালু হবার কথা। হাসপাতালের বিভিন্ন sprinkler তখন নিজে নিজেই আগুন নেভাতে উদ্যোগী হবে। যদি এই সিস্টেম দ্বারা আগুন আয়ত্বে না আসে, তাহলে দ্বিতীয় (মাঝারি) পাম্পটি অটোমেটিক চালু হতে পারে এবং আগুন আয়ত্বে আনতে পারে। কিন্তু এই পাম্প ম্যানুয়ালি বন্ধ করতে হয়, নয়তো হাসপাতালে বন্যাও আসতে পারে। আগুনের সমস্যা বড় জটিল। অনেক সময় এক জায়গার আগুন ফাঁক ফোকর দিয়ে এদিক ওদিক ঢুকে এই পাম্প গুলোর সেন্সর নষ্ট করে দিতে পারে। তার জন্য রাখা আছে তৃতীয় পাম্পটি - যেটা diesel ছাড়া আর কারোর কথা শোনে না।

Basement থেকে এবার ওঠা যাক Panel রুমের ছাদে। এখানে রাখা আছে হাসপাতালের Temperature controlled water tank। এই tank গুলোর কাজ হলো, ডাক্তারদের কথা মত যেখানে যেমন দরকার সেই রকম তাপমাত্রায় purified জল সাপ্লাই দেওয়া। আমি thermodynamics এর ছাত্র। কথায় কথায় Isothermal সিস্টেম ধরে নি। চোখের সামনে তার real life উদাহরণ দেখে আমার মন ভরে গেল। পাশাপাশি দুটি পাইপ - একটিতে যাচ্ছে ঠান্ডা জল, অন্যটিতে গরম। দুটি পাইপে জলের গতি বিপরীত মুখী। সিমেন্টের পাইপ - বাইরে থেকে হাত দিলে তাপমাত্রার তফাৎ বোঝার উপায় নেই! 

এখন যাওয়া যাক দশ তলার মাথায়। সেই basement থেকে যেই জায়গা পর্যন্ত জল ওঠানো হচ্ছে। এই ছাদে বইছে ঠান্ডা দুষণহীন বাতাস। ছাদ জুড়ে লাগানো আছে Solar Panel. হাসপাতালের প্রধান ইলেক্ট্রিসিটির source কিন্তু সেই ১১ কিলো ভল্টের লাইন। তাও কিছু additional power এর যোগান দেয় এই solar panel - যা synchronize করা আছে একতলার Panel রুমের টোটাল পাওয়ার জেনারেশনের সাথে।

এ ছাড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে অক্সিজেন ব্যবস্থাও উন্নততর। প্রতি বেডের পাশে আছে অক্সিজেন, air, বা ভ্যাকুয়ামের আউটলেট। একদম নিচে গ্রাউন্ড ফ্লোরে আছে একটা কন্ট্রোল রুম যেখান থেকে প্রতি ফ্লোরে, প্রতি বেডে যাতে গ্যাস বা ভ্যাকুয়াম ঠিক মত পৌঁছয় - তা যথাযথ দেখা হয়।

আমার ভেবে গর্ব হয়, এই মহামূল্যবান হাসপাতাল সামলাচ্ছে আমারই সাথে বড় হয়ে ওঠা এক মফস্বলের ছেলে। এখন সেখানে বসতে চলেছে MRI machine। কত মানুষ সস্তায় এখন চিকিৎসা পাবে, সুস্থ হয়ে উঠবে - এবং এর পেছনে নিঃশব্দে থাকবে আমার বন্ধু সত্যজিৎ "কর্মকার" ।

নিজের জীবনকে অন্যভাবে দেখতে শেখায় কিছু মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রম, চেতনা এবং কর্মনিশ্ঠা। জয় হোক এমন মানবজীবনের!

Thursday, November 24, 2022

গ্লোবাল নাগরিক

আমার সভ্যতা বাংলায় সীমিত না;

অসভ্যতাও না। 

আমি গ্লোবাল নাগরিক -

আফ্রিকা বলতে বুঝি নগ্ন যাযাবর, মাসাইমারা 

আর পকেটে  হাত পড়তেই মুখে চে গেভারা;

আমার কবিতায় দুঃখিত জীবনানন্দ,

আমার সংগীতে নজরুল-মঞ্চ-নির্ভানা;

 আমার ভাষায় বিরক্তি, আশায় নিরাশা 

বর্ণপরিচয় পুড়ে ছাই, তাও গভীর কুয়াশা। 

 

তুমি তোমার কেদারায় ভালো আছো তো?

পৃথিবীকে আরেকটু সুন্দর বানাচ্ছ তো?

কি বললে? সময় নেই? 

আহা রে! কখন ছিল যেন?


আমি ঠাকুমার ঝুলি খুলতে আসি নি। 

তুমি যা চাও, যে ভাবে চাও - তার জন্য বাজারে যাও। 

কবিতা যদি জীবনই হবে তাহলে ছন্দ কিসের?

ছন্দ মেশিনের কাম্য।  তোমার নয়। 

ছন্দ হারাতে কিসের এতো ভয়?


সব ছন্দ ভাঙো। গড়তে না জানলেও। 

নিজের ভেতর। 

অনেক সুন্দর লুকিয়ে থাকে কঠোরতার আড়ালে 

ভয় পেয়ো না; হয়তো আমাকেও ভাঙতে পারলে।

Monday, November 21, 2022

কাগজ

 আবেগের সন্ধ্যে,

আমি বিকেলের বৃষ্টি-ভেজা যাযাবর কাগজ;

আমার বুকে উল্কি করা আছে গতকালের ইতিহাস,

আর পিঠে - আগামীর কিছু সাহসী বিজ্ঞাপন -

আমি জীবিত সময় - যার সাহস বহুদিন বুক ছেড়ে পিঠে আশ্রয় নিয়েছে।

ফুটপাথের গায়ে লেগে থাকি - সকালের পরিচ্ছন্নতার ভয়ে,

 এক টানে ড্রেনের শেকল ছাড়া যার আর আলো দেখা হবে না।

আমি রাত জেগে থাকি তাই, অস্তিত্ব যাচাই করে নিতে 

যেমন কিছু মানুষ করে, দিনের যন্ত্রনা অন্ধকারে বিলিয়ে দিতে।

তুমি ক্ষণস্থায়ী - সকাল, দুপুর, বিকেলের মতোই 

কিন্তু রাত? তার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ উপন্যাসের প্রতীক

থেকে যায়; নিঃশব্দে, নির্দ্বিধায়।

Monday, October 24, 2022

The Battlefield

We are preparing a dice-game

Of aligning and troubled forces,

Of tension, density and range;

To play not with fire, but with heat,

Or dare I say, the consequence of  grit

On order, vortex, turbulence and pits.


A thousand epics rise and fall

In each carefully crafted battlefield;

At the end there is but one mighty victor

An eternal song, an all-absorbing giant -

The one that has seen it all, and breathed;

The one, indifferent to size; hydrodynamic. 

 

Here we are, with blood and the battlefield;

Pages are coming back to life, and so is the ink.

Sunday, October 23, 2022

Thoughts

What are thoughts, if not a few ions here and there?
Are they potent or does each succumb to a critical pressure?
A pull, an equilibrium of sorts, and the end of the line -
I wonder whether a thought in vacuum could ever survive!
In between, what lies still or dances to a rhythm,
Exists nonetheless, and beyond the circling time.

What happens to thoughts when we move to the other side?
 Do they only disintegrate or degrade into meaninglessness?
Or do they save themselves, like automated engines
To be rescued in time? But by whom if we have moved ourselves?

Does each thought aim for a response? 
Or are some of them free to propagate?
I used to think that the universe is indifferent
But, it's not, rather it only accommodates.
There might not be a grand plan, or architecture
The universe quietly expands, nevertheless.

What if thoughts really are massive fields - and
What we see, think and seek, are all in sync?
I refuse to label the unknown as merely dark;
I would rather paint it pure and serene, in ink.

Friday, October 21, 2022

The invisible one

The wild horse of imagination; 

I don't know the colour of its skin,

I've heard it comes to us, on its whim

Apparently, when we're actively seeking;

A rider, the horse seeks, proud and serene

To carry on its back, through the forest,

Over the mountains, along the river banks

To a grassland, of freedom and rushing winds.


If it were indeed to come, where would you be?

Would you search for reins, or set yourself free?



Wednesday, October 12, 2022

Amo(u)rphous lives

I wish there were mysteries in the obvious

And sense refrained from making sense;

I wish patterns didn't succumb to laws,

But intersected their own evolution - like us.


Or rather, as we used to do

Before it all came crashing down,

And turned amorphous.

Apply your quench, bring out the toolbox,

Make your measurements 

For we have aged, like broken things do.


What of this new discovery, I wonder!

Magnets, frozen like forgotten melodies 

Disorder, wavelengths and relaxation -

Nothing that I haven't heard of, or ignored.

And yet, through a series of holocausts 

Love and life find a way; a common way.


Tomorrow, we dive deeper; into the madness 

Of memories and promises; stability and vortices 

To seek further, to seek nothingness 

To answer 

Unwarranted self doubts and the same grievances.


To tomorrow, we toast; To tomorrow, we pray 

Tomorrow never comes but you have, today.

Sunday, September 25, 2022

পক্ষ

 আমি ঝড়ের কথা ভাবিনি বহু দিন; বহু কাল, বহু যুগ

ধ্বংসের পর বাসার গভীর খুঁজেছি; গড়েছি; বুঝেছি 

ভেঙে যাওয়া বৃক্ষের জীবন্ত শাখা জুড়ে; পাতা মুড়ে 

ছাউনি বুনেছি আলো-ছায়ার; থেমে যাওয়ার; মেনে নেওয়ার। 


ঝড় আসছে মাধবী! বুঝতে পারছো? ঘর-টা কেমন গুমোট হয়ে আসছে না?

এই তো, শঙ্কার আঁচল দেখা দিচ্ছে তোমার ভ্রুকুটির নির্লজ্জতায় ;

বাড়িয়ে দিচ্ছে মুহূর্তের এক একটা খোঁচায় তোমার সৌন্দর্য; তোমার অভিমান -

ঝড় আসছে প্রিয়তমা - তোমার ভেতর - সব তছনছ করে দিতে 

আমার সাজানো কুপমন্ডুকতা - ভেঙে চুরমার করে দিতে ধৈর্যের অসহ্য অত্যাচার। 

 

আমি এই উপত্যকার মানুষ নই অনুপমা; আমার রক্তে জল ঢেলো না আর 

আগুন জ্বালিয়ে দেবো নিজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে; পুড়ে ছাই হবে আত্মসম্মান 

বাস্প হবো আমি; বসন্তে মত্ত হবে কালবৈশাখীর পদচিহ্ন;

দশচক্র ছুটে যাবে আমার বুক ফুঁড়ে; ছিন্ন মস্তক মিশে যাবে হাওয়ায় 

ঠিক তখন আসবে ঝড়; দেখো দু চোখ ভোরে, আমার অস্তিত্ব সেদিন;

ঝড় আনবো দিগন্তের ওপার থেকে, অভিশাপের তান্ডব আশীর্বাদ রূপে। 

 

 শুনবো না এই সংসারের মৃদু মধুবনী সঙ্গীত; 

ধ্বংস যে জীবনের চেতনা, অনুপ্রেরণা তাকে বোতলে ভোরে দিয়ো না। 

আমরা মাটির মানুষ নই; ত্রিশূল বুকে নিয়ে ঘুরছে অশ্বত্থামা 

রক্তে এখনো অমরত্বের পরজীবী দাপাচ্ছে প্রিয়তমা 

ঝড় তো আসবেই; লুন্ঠিত হবো আমি নিজের হাতে, চাবুকে 

দাও দশভুজা তোমার ধার করা অস্ত্রের প্রাক-নির্ধারিত নিয়তি 

এই ঝড়ের বুকে ঢেলে আবার; আরেক বছর পার; মহিষাসুরের হার। 

আমার গল্পে লেখা আছে আশীর্বাদের গান; ব্রহ্মার মার। প্রতিবার। প্রতিবার।

Tuesday, September 20, 2022

Silhouette of a city

Twelve past twelve, and I am walking alone 

Through my present, through these streets

By now used to my rehearsed farewell speech 

Silence surrounds and sounds a distant dream.

I walk as cars speed by, opposite to me 

I take a lane perpendicular to what shouldn't be.

My stomach churns out the usual adjectives 

But I know that I'm not truly hungry 

I never was; say whatever may the history

That my steps have written; they are free.







The Choice

At 03:17 UTC, the system stopped. Nothing on Earth stopped with it. Freight trains moved through mountain tunnels, satellites adjusted their...